বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ মে ২০১৬

সেইফগার্ড সম্পর্কে

 

মুক্ত বাজার অর্থনীতির ফলে সৃষ্ট প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা একদিকে যেমন রাষ্ট্রগুলোকে বিশ্ব বাণিজ্যে টিকে থাকার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে, তেমনি অনেক সময় এই প্রতিযোগিতার কারণে স্বল্প বাণিজ্য ক্ষমতাসম্পন্ন দেশগুলোর দেশীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিযোগিতার এসব ক্ষতিকর প্রভাব থেকে দেশীয় উৎপাদনকারীদের রক্ষা করার জন্য বাণিজ্য প্রতিবিধান আইন ব্যবহার করা হয়। যদি বাংলাদেশে কোন আমদানিকৃত পণ্যের পরিমান এত বেশী হয় যে, তা কোন দেশীয় শিল্পকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে বা ক্ষতিগ্রস্ত করার আশংকা সৃষ্টি করে, তবে Customs Act, 1969 (IV of 1969)-  এর ধারা 18E এর ক্ষমতাবলে প্রণীত সেইফগার্ড সংক্রান্ত বিধানের আওতায় সরকার উক্ত পণ্যের আমদানি সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ করে উক্ত দেশীয় শিল্পকে রক্ষা করার ব্যবস্থা করতে পারবে।

 

কোন পণ্য আমদানির পরিমান যদি অপ্রত্যাশিত হারে বৃদ্ধি পায় তবে তা দেশীয় শিল্প প্রতিষ্ঠানের স্বার্থহানির কারণ অথবা স্বার্থহানির হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং এক্ষেত্রে, দেশীয় উৎপাদনকারীদের লোকসানের হাত থেকে রক্ষা করতে সাময়িক সংরক্ষণ ব্যবস্থা হিসেবে সরকার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করে তাকে সেইফগার্ড মেজারস এবং এর কারণে যে শুল্ক আরোপ করে তাকে সেইফগার্ড শুল্ক বলা হয়।

 

নং

নাম

ডাউনলোড

সেইফগার্ড শুল্ক   ব্রোশিউর

ক্লিক করুন

সেইফগার্ড শুল্ক বিধিমালা, ২০১০

ক্লিক করুন

সেইফগার্ড প্রশ্নমালা

ক্লিক করুন

সেইফগার্ড মেজারস বিষয়ক নির্দেশিকা

ক্লিক করুন

সেইফগার্ড শুল্ক   ব্রোশিউর সেইফগার্ড শুল্ক ব্রোশিউর

Share with :
Facebook Facebook