বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৮ মে ২০১৬

বাণিজ্য প্রতিবিধান বিভাগ

বাণিজ্য প্রতিবিধান বিভাগ

উইং প্রধানের পদবী : সদস্য

 

বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের বাণিজ্য প্রতিবিধান বিভাগ অসঙ্গত বাণিজ্য প্রতিকারের মাধ্যমে স্থানীয় শিল্পের ন্যায়সঙ্গত স্বার্থ রক্ষার কাজে নিয়োজিত। যদি কোন বিদেশী পণ্য এর স্বাভাবিক মূল্য (সাধারণত স্থানীয় বাজার মূল্য) অপেক্ষা কম মূল্যে বাংলাদেশে রপ্তানি করা হয় তবে তা ডাম্পিং ইহা স্থানীয় শিল্পের জন্য ক্ষতিকারক এবং অসঙ্গত বাণিজ্য হিসেবে পরিগণিত। এরূপ ক্ষেত্রে দেশীয় শিল্পকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার জন্য এন্টি-ডাম্পিং ডিউটি আরোপ করা যেতে পারে। একইভাবে কোন পণ্য ভর্তুকি মূল্যে বাংলাদেশে রপ্তানি করা হলে তা স্থানীয় প্রতিযোগী পণ্যকে দেশীয় বাজারে প্রতিযোগিতায় হারিয়ে দিয়ে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় শিল্পকে এর কার্যক্রম সংকোচন বা বন্ধ করতে বাধ্য করে। সঙ্গত বাণিজ্য নিশ্চিত করার জন্য এক্ষেত্রে কাউন্টারভেইলিং কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে। তাছাড়া, কোন পণ্যের আমদানি যদি এমন পরিমাণ হয় যে তা স্থানীয় শিল্পসমূহের ক্ষতির কারণ হতে পারে তখন সেইফগার্ড কার্যক্রম নেয়া হয়।  বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) সংশ্লিষ্ট চুক্তিসমূহের সাথে সঙ্গতি রেখে যথাযথ এন্টি-ডাম্পিং, কাউন্টারভেইলিং ডিউটি আরোপ ও সেইফগার্ড মেজার্স গ্রহণের সুপারিশ করার জন্য ক্ষতিগ্রস্ত অভিযোগকারী স্থানীয় শিল্পের আবেদন গ্রহণ এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের বাণিজ্য প্রতিবিধান বিভাগ ক্ষমতাপ্রাপ্ত। এ ধরনের আবেদনের শুনানির জন্য কমিশনের চেয়ারম্যান সরকার কর্তৃক নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ এবং বাণিজ্য প্রতিবিধান বিভাগ তাঁর পক্ষে উপরোক্ত কার্যাবলী সম্পাদন করে। অর্পিত দায়িত্বের মধ্যে অসংগত বাণিজ্য চর্চার সত্যতা যাচাইয়ের জন্য তদন্ত করা, বস্তুতঃ স্থানীয় শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কি-না তা প্রতিষ্ঠা করা, এ ধরনের অসংগত বাণিজ্য চর্চা এবং ক্ষতির মধ্যে কোন সম্পর্ক রয়েছে কি-না তা নির্ধারণ করা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

 

এন্টি-ডাম্পিং, কাউন্টারভেইলিং এবং সেইফগার্ড কার্যক্রমের পাশাপাশি বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের বাণিজ্য প্রতিবিধান বিভাগ ডব্লিউটিও এর স্যানিটারী ও ফাইটোস্যানিটারী কার্যক্রম এবং টেকনিক্যাল ব্যারিয়ারস টু ট্রেড সম্পর্কিত চুক্তি সংক্রান্ত কাজও সম্পাদন করে। যদি কোন বাংলাদেশী রপ্তানিকারক উল্লিখিত চুক্তিসমূহে বর্ণিত যে কোন সমস্যার সম্মুখীন হয় তাহলে উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাণিজ্য প্রতিবিধান বিভাগ সংশ্লিষ্ট স্থানীয় শিল্পকে পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করে।

 

বাণিজ্য প্রতিবিধান বিভাগ এর প্রধান কাজগুলি হচ্ছে -

 

১)       এন্টি-ডাম্পিং

২)       কাউন্টারভেইলিং;

৩)      সেইফগার্ড মেজার্স;

৪)       স্যানিটারী এন্ড ফাইটোস্যানিটারী মেজাস ও

৫)       টেকনিক্যাল ব্যারিয়ারস্ টু ট্রেড সম্পর্কিত বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ |

 

মৌলিক কাজসমূহ

সময়সীমা

ফোকাল পয়েন্ট

   ডাম্পিং, ভর্তুকি কিংবা অস্বাভাবিক আমদানি বৃদ্ধির  (Import Surge)  কারণে দেশীয় শিল্পের স্বার্থহানি নিরূপণ এবং প্রতিকারের লক্ষ্যে সরকারকে সুপারিশ প্রদান :

৩ মাস থেকে ১ বৎসর

রমা দেওয়ান,

উপ-প্রধান

(বাণিজ্য প্রতিবিধান )

ফোনঃ ৯৩৩৬৪৪৭

(ক) শিল্প প্রতিষ্ঠানের আবেদন প্রাপ্তির পর ডাম্পিং ও ভর্তুকি এবং দেশীয় শিল্পের উপর ক্ষতিকারক প্রভাব নিরূপনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে প্রশ্নমালা প্রেরণ করা;

সর্বোচ্চ ৭ দিন

(খ) শিল্প প্রতিষ্ঠান হতে পূরণকৃত প্রশ্নমালা প্রাপ্তির পর ডাম্পিং অথবা ভর্তুকি এবং শিল্পের স্বার্থহানির প্রাথমিক প্রমাণাদি যাচাইপূর্বক অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরুর গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা;

১ মাস

(গ) অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু করার পর রপ্তানিকারক, আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের নিকট প্রশ্নমালা প্রেরণ করা;

৭ দিন

(ঘ) সংশ্লিষ্ট সকলের তথ্যাদি প্রাপ্তির পর প্রয়োজনবোধে গণশুনানির আয়োজন এবং গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সুপারিশসহ প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করা;

২ মাস

(ঙ) সকল তথ্য প্রাপ্তির পর বিশ্লেষণকরণ এবং প্রয়োজনবোধে রপ্তানিকারক দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও গণশুনানির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকলের মতামত প্রাপ্তির পর সুপারিশ প্রণয়ন এবং  গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা;

১ মাস

(চ) বাংলাদেশের রপ্তানিকৃত পণ্যের উপর অন্য কোন দেশ কর্তৃক এন্টিডাম্পিং, কাউন্টারভেইলিং এবং সেফগার্ড মেজারস গ্রহণের কারণে দেশীয় রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

-


Share with :