বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৫ মে ২০১৬

সাংগঠনিক কাঠামো ও কার্যাবলি

বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো

 

বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন প্রতিষ্ঠার পর থেকে অর্পিত দায়িত্বাবলী সম্পাদনের জন্য কমিশনের একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো নির্ধারিত হয়। বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ এর ৫(১) নং ধারা অনুসারে একজন চেয়ারম্যান এবং অনূর্ধ্ব তিনজন সদস্য সমন্বয়ে কমিশন গঠিত হয়। এছাড়া, কমিশনে ৪ (চার) জন যুগ্ম প্রধান, ১(এক) জন সচিব ও বিভিন্ন  স্তরের ৩০ জন কর্মকর্তাসহ মোট ৩৯ জন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা, ৪৩ জন তৃতীয় শ্রেণীর এবং ৩৩ জন চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর মঞ্জুরীকৃত পদ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট আইনের শর্ত অনুসারে কমিশনের চেয়ারম্যান, সদস্যবৃন্দ ও কমিশনের সচিব সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হন। কমিশনের নিয়োগবিধি অনুযায়ী যুগ্ম-প্রধান ও উপ-প্রধান পর্যায়ে ৫০% পদে সরকার প্রেষণে কর্মকর্তা নিয়োগ করে থাকে এবং কমিশনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী সরাসরি/পদোন্নতির মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে থাকে।

 

কমিশনের কার্যক্রম

১.বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন প্রতিষ্ঠাকল্পে প্রণীত ১৯৯২ সনের ৪৩নং আইনের ৭ ধারা মোতাবেক সরকারকে পরামর্শ প্রদান।

 

২.দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষা

কমিশন দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা ও সংরক্ষণ সংক্রান্ত কার্যক্রমের আওতায় যৌক্তিক শুল্ক কাঠামো বজায় রাখার নীতি অনুসরণ করে। সাধারণত প্রাথমিক কাঁচামালের জন্য নিম্নতম শুল্কহার, মাধ্যমিক পণ্য সামগ্রীর জন্য অপেক্ষাকৃত উচ্চ অথচ অভিন্ন শুল্কহার এবং সকল স¤পূর্ণায়িত পণ্যের ক্ষেত্রে মাধ্যমিক পণ্যে আরোপিত শুল্কহারের চেয়ে বেশী শুল্কহার আরোপের সূত্রাবলী কমিশন অনুসরণ করে। অধিকন্তু, দেশীয় শিল্পকে সহায়তা করার জন্য সংশ্লিষ্ট শিল্পের উৎপাদন ব্যয়, উৎপাদনশীলতা ও প্রাসংগিক তথ্যাদি বিচার-বিশ্লেষণ করে সহায়তার মাত্রা নির্ণয় করা হয়।

 

৩.শিল্প-সম্পদ উৎপাদনে প্রতিযোগিতায় উৎসাহ প্রদান

কমিশন প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বাণিজ্য উদারীকরণের যৌক্তিকতা বিবেচনায় রেখে শিল্প-স¤